রাজশাহীতে ডাক্তার অ্যাপয়েন্টমেন্ট ও ডায়াগনস্টিক সেবা
চেম্বার ০১- পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লি: রাজশাহী
সময়: বিকাল ৪টা থেকে রাত ৯ টা (শুক্রবার সকাল ১০ টা থেকে ১২টা) ০৯৬৬৬৭৮৭৮১১
চেম্বার ০২- ইউনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার
সময়: দুপুর ২ টা থেকে ৪ টা (শুক্রবার বন্ধ)
মস্তিষ্ক আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র। মস্তিষ্কের বিভিন্ন সমস্যার কারণে মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, স্মৃতিশক্তির পরিবর্তন, কথা বলতে অসুবিধা বা শরীরের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে।
যেসব সমস্যায় বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে:
স্ট্রোক একটি গুরুতর চিকিৎসাজনিত জরুরি অবস্থা। মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে অথবা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হলে স্ট্রোক হতে পারে। এতে শরীরের এক পাশ দুর্বল বা অবশ হয়ে যাওয়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া কিংবা মুখের এক পাশ বেঁকে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে।
স্ট্রোক-সম্পর্কিত চিকিৎসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো হলো:
জরুরি সতর্কতা: হঠাৎ মুখ বেঁকে যাওয়া, এক হাত বা পা দুর্বল হয়ে যাওয়া কিংবা কথা জড়িয়ে গেলে অপেক্ষা না করে জরুরি বিভাগে যেতে হবে। লক্ষণ কিছুক্ষণ পর কমে গেলেও জরুরি মূল্যায়ন প্রয়োজন।
স্নায়ু শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে মস্তিষ্কে অনুভূতির সংকেত পৌঁছে দেয় এবং মস্তিষ্কের নির্দেশ শরীরের বিভিন্ন অংশে পৌঁছাতে সাহায্য করে। স্নায়ুর সমস্যায় ঝিনঝিন করা, জ্বালাপোড়া, অসাড়তা, ব্যথা বা পেশির দুর্বলতা দেখা দিতে পারে।
স্নায়ু-সম্পর্কিত যেসব সমস্যায় পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে:
মৃগীরোগ (Epilepsy) হলো মস্তিষ্কের এমন একটি রোগ, যেখানে বারবার খিঁচুনি হওয়ার প্রবণতা থাকতে পারে। খিঁচুনির সময় শরীর কাঁপা, সাময়িকভাবে সাড়া না দেওয়া অথবা অস্বাভাবিক আচরণ দেখা দিতে পারে। তবে সব ধরনের খিঁচুনির কারণ মৃগীরোগ নয়; সঠিক কারণ নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসকের মূল্যায়ন প্রয়োজন।
যেসব ক্ষেত্রে পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে:
খিঁচুনি হলে রোগীকে নিরাপদ স্থানে কাত করে শুইয়ে দিন, আশপাশের বিপজ্জনক বস্তু সরিয়ে দিন এবং জোর করে হাত-পা চেপে ধরবেন না বা মুখে কিছু ঢোকাবেন না। খিঁচুনি পাঁচ মিনিটের বেশি স্থায়ী হলে, পরপর খিঁচুনি হলে বা শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন।
প্যারালাইসিস বা শরীরের কোনো অংশ নাড়াতে না পারা মস্তিষ্ক, স্পাইন বা স্নায়ুর সমস্যার কারণে হতে পারে। কখনো শরীরের এক পাশ দুর্বল হয়ে যায়, আবার কখনো হাত-পায়ের অনুভূতি বা নড়াচড়ায় পরিবর্তন দেখা দেয়।
যেসব সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে:
হঠাৎ প্যারালাইসিস বা দুর্বলতা দেখা দিলে সেটিকে জরুরি অবস্থা হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
স্পাইন বা মেরুদণ্ড শরীরকে সোজা রাখতে এবং স্নায়ুর গুরুত্বপূর্ণ অংশকে সুরক্ষা দিতে সাহায্য করে। মেরুদণ্ডের কিছু সমস্যা বা স্নায়ুর ওপর চাপ পড়লে ঘাড়, পিঠ ও কোমরে ব্যথা হতে পারে। কখনো ব্যথা হাত বা পা পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে পারে।
যেসব সমস্যায় বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে:
ব্যথার কারণ নির্ণয়ের জন্য রোগীর শারীরিক পরীক্ষা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য পরীক্ষা করা হতে পারে। হঠাৎ হাত-পা দুর্বল হয়ে যাওয়া অথবা কোমরব্যথার সঙ্গে প্রস্রাব-পায়খানার নিয়ন্ত্রণ হারালে জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন।
মাথাব্যথা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। কিছু মানুষের মাথার এক পাশে তীব্র ব্যথা, বমি বমি ভাব এবং আলো বা শব্দে অস্বস্তি দেখা দেয়, যা মাইগ্রেনের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। আবার সব মাথাব্যথাই মাইগ্রেন নয়।
যেসব সমস্যায় পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে:
হঠাৎ জীবনের সবচেয়ে তীব্র মাথাব্যথা শুরু হলে, অথবা মাথাব্যথার সঙ্গে অজ্ঞান হওয়া, জ্বরসহ ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া কিংবা নতুন করে হাত-পা দুর্বল হওয়ার মতো লক্ষণ থাকলে জরুরি চিকিৎসা নিন।
Neurophysiology হলো স্নায়ুতন্ত্র কীভাবে কাজ করে, তা নিয়ে বিশেষায়িত একটি ক্ষেত্র। Neurophysiology-সংক্রান্ত কিছু পরীক্ষার মাধ্যমে নির্দিষ্ট স্নায়ু ও পেশির কার্যকারিতা অথবা মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ মূল্যায়ন করা যায়।
রোগীর উপসর্গ অনুযায়ী চিকিৎসক প্রয়োজন মনে করলে স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতা মূল্যায়নের জন্য বিশেষ পরীক্ষা দিতে পারেন। তবে সব রোগীর জন্য একই পরীক্ষা প্রয়োজন হয় না।
যোগাযোগ করুন: